Tuesday, November 27, 2018

খেঁজুরের গুণাগুণ - benefits of dry dates

nutrition


 'খেঁঁজুর'-এর কয়েকটি গুণাগুণ◆


     ● খেঁজুর একটি অতি পুষ্টিকর ফল। খেঁজুরে আছে বেশ ভালো পরিমাণে ক্যালোরি, যা মূলতঃ এর মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট থেকেই আসে। এটি এমন একটি ফল যা শুকনো অবস্থাতে পাওয়া গেলেও অন্যান্য অনেক টাটকা ফলের থেকে এতে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেশী থাকে।

   ●৪টে বড় মাপের রসাল 'মেদজুল' খেজুরে (বীজ ছাড়া) আছে ২৭৭ গ্রাম ক‍্যালোরি ও ৭৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, যার ৬৫% ভাগ‌ই প্রাকৃতিক 
শর্করা - গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ।

   ●ক্যালোরির পাশাপাশি খেঁজুরে আছে অল্প পরিমাণে প্রোটিন ( প্রায় ২ গ্রাম প্রোটিন), সামান‌্য পরিমাণ ফ‍্যাট এবং ফাইবার। যা আমাদের স্বাস্হ‍্যের জন‍্য খুব‌ই উপকারী। এই হল খেঁঁজুরের পুষ্টিগুণ, যা থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে অন‍্যান‍্য অনেক খবারের তুলনায় খেঁজুর আমাদের শরীর ইনস্ট‍্যান্ট এনার্জি প্রোড‍্যুস 
করে।



    ●খেঁঁজুর-এ আছে মনোক্লোলান সুগার্স (sugars)। যা শরীরে গেলে তার নিজের হজমের  কোনো প্রয়োজনীয়তা হয় না। ফলে এই মনোক্লোলান শর্করা খুব দ্রুত রক্ত দ্বারা শোষিত হয় এবং রক্ত তা সরাসরি শরীরের বিভিন্ন পেশী এবং মস্তিস্কে দ্রুত পৌঁছে দেয়।

     ● শর্করার অস্তিত্ব বর্তমান সত্ত্বেও, খেঁজুর-এ আছে 'পেক্‌টিন'। যা শরীরে কোলেস্টেরল বাড়তে দেয় না।

      ● 'খেঁজুর' শরীরের 'ইমিউন সিস্টেম'-কে বৃদ্ধি (boost) করে। শরীরে উপস্থিত শিরা, ধমনী বা রক্তনালীকে সক্রিয় করে, আর তাতে উপযুক্ত পরিমাণ পুষ্টিগুণ পৌঁছে দেয়। বলা যায়, গোটা নার্ভাস সিস্টেম-কেই সচল রাখে।

      ● যকৃৎ (liver), মলাশয় (colon) বা পুরো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সিস্টেম কে ভালো রাখে। যেহেতু গোটা ইমিউন সিস্টেম কে বুস্ট্ করে যকৃতে টক্সিন জমতে দেয় না।

    ● চোখের ভালো দৃষ্টিশক্তির জন‍্য‌ও খেজুর খুব‌ই উপকারী। গরম দুধের সাথে খেজুর ফুটিয়ে নিয়ে খেলে, দুধের মধ‍্যে থাকা ভিটামিন 'এ' ও ভিটামিন 'বি' চোখের ভেতরের আর্দ্রতাকে সহজে শুকোতে দেয় না। ফলে চোখে অন্ধত্ব হ‌ওয়ার সম্ভবনা কমায়। চোখ ভালো রাখতে সাহায‍্য করে। এক‌ই সাথে এই উপায়ে খেজুর খেলে দুধে থাকা ক‍্যালসিয়াম দাঁতের মজবুতিতেও সাহায‍্য করে।

     ●খেজুর শরীরের গ্রোথ হরমোন-এর জন‍্য‍ও উপকারী। বলা যায় একরকম উদ্দীপকের মত কাজ করে। এক্ষেত্রেও খেজুর দুধের সাথে খেলে অধিক উপকারী হয়।

    ● সর্বোপরি খেজুরে (বিশেষত এর খোসায়)  রয়েছে প্রচুর পরিমাণে 'সংক্রামক রোগের বীজনাশক' বা 'অ্যান্টিভাইরাল এজেন্ট' (antiviral agent),যা শরীরে আসা বিভিন্ন রকমেরভাইরাস, ব‍্যাকটেরিয়া, ফাংগাস বা ছত্রাক এমনকি 'ক‍্যানসার' নামক মারণ অসুখের‌ও প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

এক কথায় বলা যায়, খেজুর অন‍্যান‍্য অনেক খাবারের তুলনায় বা অন‍্যান‍্য ড্রাই ফ্রুটস্-এর তুলনায় খেজুর সস্তার পাশাপাশি উপকারীও বটে। এর পুষ্টিগুণের পাশাপাশি এ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক বেশী। এছাড়াও নিয়মিত ১-২ টি খেজুর খাওয়া অভ‍্যেস করলে তা ত্বকের ঔজ্বল‍্যও বাড়ায়।

#dates milk shake recipe :
#খেঁজুর ও দুধের ঘোল :

Ingredients : উপক‍রণ
Dates  : খেঁজুর
Milk    : দুধ

প্রথমে সমস্ত খেঁজুর গুলোকে ভালো করে জলে ধুয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে। এবার খেঁজুরগুলোর ভেতর থেকে বীজ ছাড়িয়ে নিতে হবে। তারপর সব খেঁজুরগুলোকে ছোটো ছোটো করে ছুরি দিয়ে কেঁটে কুঁচি করে নিতে হবে। এবার মিক্সার মেশিনে (mixer machine) কুঁচানো খেঁজুর দিয়ে তাতে ৩-৪ চামচ দুধ দিয়ে ১ মিনিট grinder- এ mix করে নিতে হবে। ১ মিনিট ঘোটার পর ২ কাপ দুধ ওতে ঢেলে আর‌ও ৩-৪ মিনিট মিক্সারে মিক্স করুন। এবার দুটি কাঁচের গ্লাসে শেক্ ঢেলে ওপর দিয়ে অল্প পেস্তা কুঁচি বা খেঁজুর কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করুন খেঁজুর দুধের ঘোল বা dates milk shake.


★ভ্রমণ টিপস্ - বেড়াতে যাওয়ার সময় খাবারের সঙ্গে খেজুর নিতে ভুলবেন না। এটি সঙ্গে নিয়ে ঘোরাও সহজ এবং যে কোনো রকমের ফুড্ এমার্জেন্সিতেও অনেকক্ষণ-এর জন‍্য আপনার খিদে মেটাতে সাহায‍্য করবে।

Saturday, November 17, 2018

hanuman Chalisa kab padhna chahiye,HANUMAN CHALISHA KUE PADHE

HANUMAN CHALLISA



 JAI SHREE RAMCHANDRA KI JAI

Mahan kabi,sahitik shree TulshiDasji Hanuman Challisha ki rachaita hai.Kabi Tulshi Dasji HANUMANJI Ke bhakt the,unhone Hanumanji ka gunkirtan Hanuman challisha ke madhyam se kiya hain.

Hindu shastra Ramayan ke anusar Hanuman ji shree Ramchandraji or Shitamata k  bhakt hain.

Hanuman ji se bara bhakt eai jagat sansar main koi nahi ho sakta hain.
Ramayan k anusar Hanumanji dust langkesh ko marneke liya sabse bara bhumika nibhaye the.
HANUMAN JI keyese lanka me geye the or lankesh raj Ravan ko marneme kaise Shree Ram Chandrko sahayata kiye, Hanuman challisha me barnan kiya hua he. 

Chalie ab jante he Hanuman challisha keyese path kiya jate hai 

SHRI GURU CHARAN SAROJ RAJ
NIL MANE MUKURE SUDHAR
VARNAO RAGHUVAR VIMAL JASU
JO DAYAKU PHAL CHAR

BUDHI HIN TANU JANIKE
SUMIRAU PAVAN KUMAR
 BAL BUDHI VIDYA DEHU MOHE
HARANU KALESA VIKAR.

JAI HANUMAN GYAN GUN SAGAR
JAI KAPIS TIHUNLOK UJAGAR

RAM DUT ATULIT BALDHAMA 
ANJANIPUTRA PAVAN SUT NAMA

MAHAVIR VIKRAM BAJRANGI 
KUMATI NIVAR SUMATI KE SANGI

KANCHAN VARAN VIRAJ SUBESA
KAHAN KUNDAL KUNCHIT KESA

HATH VAJRA AUR DHUVAJE VIRAJE
KANDHE MOONJ JANEHU SAJAI

SANKAR SUVAN KESRI NANDAN 
TEJ PRATAP MAHA JAG VANDAN

VIDYAVAN GUNI ATI CHATUR
RAM KAJ KARIBE KO AATUR

PRABHU CHARITRA SUNIBE KORASIYA
RAM LAKHSMAN SITA MAN BAIYA

SUKSMA RUP DHARI SIYAHI DIKHAVA
VIKAT RUP DHARI LANKA JARAVA

BHIM RUP DHARI ASUR SANGHARE
RAMACHANDRA KE KAJ SANVARE

LAGE SANJIVAN LAKHAN JIYAYE 
SHREE RAHUVIR HARASHIURLAYE

RAGHUPATI KINHI BAHUT BADI
TUM MAM PRIYE BHARAT HI SAMBHAI

SHAS BADAN TUMHARO YASH GAANE
US KAHI SHRIPATI KANTH LAGAANE

SANKADIK BRAHMDI MUNISA
NARAD SARAD SAHIT AHEESA

YAM KUBER DIKPAL JAHANTE
KAVI KOVID KAHI SAKE KAHANTE

TUM UPKAR SUGGREEVAHIN KINHA
RAM MILAYE RAJPAD DINHA
TUMHARO MANTRA VIBHISHAN MAMA
LANKESHWAR BHAYE SUB JAG JANA

YUG SHASTRA JOJAN PAR BHANU
LEELYO TAHI MADHUR PHAL JANU

PRABHU  MUDRIKA MELI MAHEE
JALADHI LANGHI GAYE ACHRAJ NAHEE

DURAAM KAJ JAGAT KE JETA
SUGAM ANUGRAHA TUMHRE TETE


RAM DWARE TUM RAKHVARE
HOAT NA AGYA BINU PAISARE

SUB SUKH LAHAI TUMHARI SARNA
TUM RAKSHAK KAHU KO DAR NA

AAPAN TEJ SAMHA AAPAI
TEENHON LOK HANK KE KANPAI

BOOT PISACH NIKAT NAHI AAVAI
MAHAVIR JAB NAAM SUNAVAI

NASE ROG HARAI SAB PEERA
JAPAT NIRANTRA HUNMANT BEERA

SANKAT SE HANUMAN CHUDAVAI
MAN KARAM VACHAN DYAN JO LAVAI

SUB PAR RAM TAPASVEE RAJA
TIN KE KAJ SAKAL TUM SAJA

AUR MANORATH JO KOI LAVAI
SOHI AMIT JEEVAN PHAL PAVAI

CHARON YUG PARTAP TUMHARA
HAI PERSIDH JAGAT UJIYARA

SUDHU SANT KE TUM RAKHWARE
ASUR NIKANDAN RAM DULHARE

ASHTA SIDHI NAV NIDHI KE DHATA
US VAR DEEN JANKI MATA

RAM RASAYAN TUMHARE PASA
SADA RAHO RAGHUPATI KE DASA

TUMHARE BHAJAN RAM KO PAVAI
JANAM JANAM KE DUKH BISRAVAI

ANTH KAAL RAGHUVIR PUR JAYEE
JAHAN JANAM HARI BAKHT KAHAYEE

AUR DEVATA CHIT NA DHAREHI
HANUMANTH SE HI SARVE SUKH KAREHI

SANKAT KATE MITE SAB PEERA
JO SUMIRAI HANUMAT BALBEERA

JAI JAI JAI HANUMAN GOSAHIN
KRIPA KARAHU GURUDEV KI NYAHIN

JO SAT BAR PATH KARE KOHI
CHUTEHI BANDHI MAHA SUKH HOHI

JO YAH PADHE HUMAN CHALISA
HOYE SIDDHI SAKHI GUREESA

TULSIDAS SADA HARI CHERA
KEEJAI DAS HRDAYE MAIN DERA

PAVANTNAI SAKAT HARAN
MANGAL MURTI ROOP.
RAM LAKHAN SITA SAHIT,
HRDAYE BASAHU SUR BHOOP.

(JAI PRABHU SHREE RAM CHADRA KI JAI....
JAI SITA MATA KI JAI....
JAI HANUMAN JI KI JAI.........)


HANUMAN CHALISA PARNE KA GURN

Hanuman ji shivji ke avtar hain.
Unka janam RamChandra ji k sahayata k liye hua tha.
HANUMAN JI RAMCHANDRA JI K sabse bada bhakt hai.Ram Chandra ji unke hridaye me harbakth rahete hai
Islie kathit hai jo bekti Hanuman Chalisa parte hai unko Shree Ram Chandra ji ke ashirbad luv hota hai.

HANUMAN CHALISA jo bekti parte unko bhut prichas se dar nahi lagta

 HANUMAN CHALISH ROJ PARNE SE KALA JADU ASAR NAHI HOTA

shikharthi(student) ajar HANUMAN CHALISA PARTE hain to unko parai me main lagta hai or parikshaya me achha  nambar mila hain

Is jagat sangsar se mukti ke Upaye he Eai HANUMAN CHALISHA

(JAI PRABHU SHREE RAM CHADRA KI JAI....
JAI SITA MATA KI JAI....
JAI HANUMAN JI KI JAI.........)





  


Thursday, November 15, 2018

Besan laddu বেসন লাড্ডু - homemade

HOW TO MAKE BESAN laddu / বাড়িতে বেসন লাড্ডু বানানোর TIPS

Chickpea Flour Balls



উপকরণ :
বেসন - ২০০ গ্রাম
ঘি - ১৭৫ গ্রাম
চিনি (গুঁড়ো) - ১৫০ - ১৬০ গ্রাম
এলাচ (গুঁড়ো) - ৪-৫ টা
আমন্ডস্ (কুঁচি করা) - ৭-৮ টা বা পছন্দমত
পেস্তা (কুঁচি করা) - ৭-৮ টা বা পছন্দমত

 বিধি :

প্রথমে একটি কড়াই আঁচে বসিয়ে তাতে উপকরণে উল্লেখ করা মাপের ৩/৪ ভাগ ঘি দিয়ে দিন। আঁচ একেবারেই কম করে রাখুন। ঘি গললে সাথে সাথে সমস্ত বেসন-টুকুই ওই ঘি-এর মধ‍্যে মিশিয়ে একদম কম আঁচে নাড়তে থাকুন। আঁচ কখন‌ই বাড়াবেন না।
বেসন প্রথম দিকে ঘি-এর মধ‍্যে পুরোপুরি মিশে যাবে না। ওই মিশ্রণটা অনবরত নাড়িয়ে যেতে হবে। ১ মিনিট এভাবে নাড়ার পর ঘি আস্তে আস্তে বেসন-এর সাথে মিশতে আরম্ভ হবে। যদি দেখেন যে এই সময়েও ঘি আর বেসন একসাথে না মেশে, তবে সেক্ষেত্রে বাকি পড়ে থাকা ঘি টুকুও এই সময় কড়াই-এর মিশ্রণটির মধ‍্যে ঢেলে দিন।
লক্ষ‍্য রাখবেন বেসন যেন কড়াইতে পোঁড়া না লেগে যায়। সমানে নাড়িয়ে যেতে হবে সেক্ষেত্রে।
এভাবে আর‌ও মিনিট দুয়েক নাড়ার পর দেখুন বেসনের রঙ পরিবর্তন হচ্ছে কিনা। দেখবেন বেসন সোনালী রঙের হয়ে উঠবে। যতক্ষণ তা না হচ্ছে এভাবে কম আঁচেই বেসন নাড়িয়ে যান। তবে দেখবেন বেসন-ঘি-এর মিশ্রণটি যাতে একটু পাতলা থাকে। দলা পাকানো যাতে না হয়।
২-৩ মিনিট বাদেই বেসনের রঙ পাল্টে যাবে। ওই সময় এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন বেসনের সাথে।
সোনালী রঙ হলেই ২-৩ চামচ জল কড়াইয়ের মধ‍্যে থাকা বেসনের মধ‍্যে ভালো করে ছিটিয়ে দিন। এতে বেসন দানা দানা হবে দোকানের মতো। হাত দিয়ে জল ছিটিয়ে দিয়ে খুন্তি দিয়ে পুরো বেসনের সাথে জল মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ নেড়ে নিয়ে গ‍্যাস বন্ধ করেন ফেলুন।
এবার একটি পরিষ্কার থালার মধ‍্যে বেসন ঢেলে ফেলুন। না হলে কড়াইতে রাখলে, কড়াইয়ের তাপে বেসন তখন‌ও কুক (রান্না) হতেই থাকবে। এবার থালায় ঢালা বেসন ঘরের তাপমাত্রায় (room temperature) আসলে, তাতে অল্প অল্প করে গুঁড়ো চিনি মেশাতে থাকুন। বেসন গরম অবস্হায় চিনি দিলে, তা গলে যাবে। তাই সবসময় বেসন ক্ষাণিকটা ঠান্ডা হলে তারপরেই চিনি দেওয়া উচিৎ।
এবার কিছুটা করে চিনি গুঁড়ো বেসনের মধ‍্যে দিয়ে পরিষ্কার হাতের সাহায‍্যে মাখতে থাকুন। ৩/৪ ভাগ চিনি দিয়ে মাখা হলে প্রয়োজনে মিশ্রণ থেকে একটু মুখে দিয়ে দেখুন। কারণ খাবারে মিষ্টির পরিমাণ কারুর একটু বেশী পছন্দের, আবার কারুর একটু কম। তাই এটা দেখে নেওয়াই ভালো। চিনি দিয়ে মাখা হল সেখান থেকে হাতের মুঠোয় বেশ খানিকটা করে নিয়ে, চেপে চেপে বলের আকার গড়ুন। শক্ত বল হলে পরে দু-হাতের তালুর সাহায‍্যে বলটিকে মসৃণ করুন। প্রতিটা বল ধৈয্য ধরে আস্তে আস্তে গড়ুন। কারণ তাড়াহুড়ো করলে লাড্ডু ভেঙ্গে যাবে। এভাবে বাকি লাড্ডুগুলো গড়ে ফেলুন। তবে খুব বেশীক্ষণ মিশ্রণটি ফেলে রাখবেন না। এতে লাড্ডুর বাধন ছেড়ে যাবে।
সব লাড্ডু বানানো হয়ে গেলে সাজানোর জন‍্য অল্প কিছু পেস্তা কুচি ও আমন্ডস্ কুচি লাড্ডুগুলোর ওপর ছড়িয়ে দিলেই তৈরী বেসনের লাড্ডু।
এই বেসনের লাড্ডু একটি কাঁচের বয়ামে করে ৩-৪ সপ্তাহ ধরে রেখে খেতে পারবেন।
এক্ষেত্রে লাড্ডুতে গুঁড়ো চিনির বদলে তাগার দিলে তা আর‌ও সুস্বাদু ও দীর্ঘমেয়াদী হয়। আনন্দে উপভোগ করুন বেসনের লাড্ডু।

★ লাড্ডুর জন‍্য বেসন রান্না করার সময় জল না দিলে দোকানের মত ওরম দানা দানা হবে না। মুখে দিলে লাড্ডু খুব মসৃণ লাগবে। কিন্তু বেসনের লাড্ডু দানা দানা হয়।

Friday, November 2, 2018

ধনতেরাস (dhanteras) পালনের সঠিক পদ্ধতি🎇🎆

ধনতেরাস (dhanteras)পালনের সঠিক পদ্ধতি



ধনতেরাস (dhanteras)পালনের যথার্থ পদ্ধতি

ধনতেরাস বা ধনত্রয়োদশী যা আমাদের অনেকেই প্রতি বছর কালীপুজোর আগে পালন করে থাকি, মূলতঃ বিভিন্ন প্রকারের দামী ধাতু কিনেই তা পালিত হয়। তবে কেউ কি জানেন আসলে ধনতেরাস পালন কেন হয় বা পালনের সঠিক উপায়টি কি? আসুন জানা যাক ধনতেরাস আসলে কি?

  ধনতেরাস নামটি শুনলে প্রথমেই মনে হয়, এইবার ধনতেরাসে একটা ভালো সোনার হার নেবো ভাবছি, কেউ আবার ভাবে এবার ধনতেরাসে স্টিলের বাসনে বাড়ি ভরিয়ে দেবো, আবার কেউ কেউ শুধু একটা চামচ কিনেও বাড়ি ফিরি। কিন্তু ধনতেরাস যে শুধুই ধাতব বস্তু কেনার দিবস তা ঠিক নয়। ধনতেরাস বা ধনত্রয়োদশী হল মূলতঃ কার্ত্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশতম (১৩তম) দিবস। এই দিনটি আয়ুর্বেদের দেবতা 'ধনবন্ত্‌রী' দেবের জন্মদিন। বা অনেকে এই দিনটিকে ধনবন্ত্‌রী জয়ন্তী-ও বলে থাকে। মূলতঃ এই দিন আয়ুর্বেদ দেব ধনবন্ত্‌রী এর উদ্দেশ‍্যেই পুজো করা হয়। কার্ত্তিক মাসের এই ত্রয়োদশীর দিনে পরিবার পরিজনের সুস্বাস্হ‍্যের উদ্দেশ‍্যেই পুজো অর্চনা করাটাই আসল কারণ বা উদ্দেশ্য এই ধনতেরাসের। কিন্তু কালক্রমে 'ধনবন্ত্‌রী' ও 'ত্রয়োদশী'-র মিলিত শব্দ 'ধনতেরাস' পালিত হয় মূল‍্যবান কিছু ধাতব বস্তু কেনাকাটার উদ্দেশ্যেই। 
  তবে যাইহোক ধাতু বা ধাতব বস্তুবিশেষ কেনার যে কোনো কুফল আছে তা একেবারেই বলা হচ্ছেনা এখানে। কিন্তু এক্ষেত্রে লক্ষ‍্য রাখতে হবে কোন্ কোন্ জিনিসগুলি সঠিক ধনতেরাস-এর দিন কেনাকাটার জন‍্য।
  ১. গৃহে লক্ষ্মী-গণেশ-এর মূর্তি স্হাপন- ধনতেরাস এর দিন গৃহে সুখ শান্তি স্হাপনের জন‍্য সর্বপ্রথম যেটি করা ভালো সেটি হল, গৃহে লক্ষ্মী-গণেশ-এর মূর্তি স্হাপন। লক্ষ্মী-গণেশের পুজোর মাধ‍্যমে যেকোনো কাজের শুরুই হল শুভারম্ভ। এতে দুটি পাওনা একসাথে পাওয়া যায়। এক, পুজোর মাধ‍্যমে ঘরে এক positive vibes আসে। যা আমাদের মন শান্ত করে ও জীবনে এগিয়ে চলার এক শক্তি প্রদান করে। আর দুই ধন-ধান‍্যের দেবী লক্ষ্মী এবং সুখ-সমৃদ্ধির দেব বিনায়ক গণেশকে এক‌ই সাথে পাওয়া যায়, যাতে সারা বছর ঘরে ফসল ও ধন সম্পদের প্রাচুর্যাভাব ঘটে। অর্থাৎ 'শুভ লাভ'-এর প্রকৃষ্ট প্রাপ্তি ঘটে।


 ২. প্রদীপ (diya)-  

 কালীপুজো বা dewali-এর উদ্দেশ‍্যে প্রতি বছর আমরা নিজেদের বাড়িকে উজ্জ্বল ও আলোকিত করে তুলি। তার জন‍্য রঙীন আলোর পাশাপাশি আমরা চিরাচরিত সেই মোমবাতি ও প্রদীপ ব‍্যাবহার ক‍রতে ভুলি না কখনো। কিন্তু জানেন কি প্রদীপ আপনার ঘরকে শুধু আলোকিত‌ই করে না, পাশাপাশি ঘরকে রক্ষাও করে!
ধনবন্ত্রী জয়ন্তী-র পাশাপাশি ধনতেরাস-এর দিনে দেবতা যমরাজ-এর উদ্দেশ‍্যেও পুজো হয়ে থাকে। সারা বছরের মধ‍্যে এই একটি‌ই দিন, যেদিন যমরাজ পূজিত হন। ধনতেরাস এর রাত্রিবেলায় একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখা হয়। এতে গৃহ কু-দৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পায়, এবং ঘরে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। তাই প্রদীপ একধারে আপনার ঘর সুন্দর এর পাশাপাশি মঙ্গলময়‌ও করে তোলে।


 ৩. 'কড়ি' হল এমন একটি বস্তু যা আমরা বিভিন্ন ধরনের শুভ কাজে ব‍্যবহার করে থাকি। ধনতেরাস-এর দিন ঘরে কড়ি আনুন। লক্ষ্মী-গণেশ পুজোর সময় কড়িগুলি পুজোর স্হানে রাখুন। পুজো শেষে একটি শুদ্ধ লাল বস্ত্রের মধ‍্যে কড়িগুলি পুটলির আকারে বেঁধে লকার বা যেই স্হানে আপনি ধন-সম্পদ গচ্ছিত রাখেন সেখানে রেখে দিন। সারা বছর আপনার ঘর ধন-ধান‍্যে পরিপূর্ণ থাকবে।

 ৪.স্ফটিকের শ্রী-যন্ত্র- ধনতেরাস পালনের উপলক্ষে বাড়িতে স্ফটিকের শ্রী-যন্ত্র আনা খুব‌ই শুভ জানা যায়। ওই দিন বাড়িতে হ‌‌ওয়া লক্ষ্মীপুজোর সময় স্ফটিকের শ্রী-যন্ত্রের‌ও একসাথে পুজো করে, তারপর সমগ্র পুজো অনুষ্ঠান শেষ হলে পরে ওই স্ফটিকের শ্রী-যন্ত্রটিকে আপনার ধন-সম্পদ গচ্ছিত স্হানে রেখে দিন। ঘরে ধন-সম্পত্তির অভাব ঘটবে না।

 ৫. ধাতব বাসনপত্র- ধনতেরাস উপলক্ষে আমরা খুব সহজত‌ই স্টীল বা অ্যালুমিনিয়াম-এর বাসন কিনে থাকি। তবে পুরাণ মতে, সমুদ্র মন্হনের সময় আয়ুর্বেদ দেব ধনবন্ত্রীর উদ্ভাবন হয় এই দিনটিতে। তাই শরীর ও সুস্বাস্হ‍্য-এর ওপর নজর দেওয়া সবচেয়ে জরুরী বিষয়। পুরাণমত অনুযায়ী স্বাস্হ‍্য‌ই সবথেকে বড় ধন। সেই দিকে নজর রাখলে পিতল, সোনা বা রূপোর বাসনপত্র‌ই হল শরীরের জন‍্য যথাযথ ধাতব। তাই এই ধনতেরাসে ঘরের জন‍্য বাসন কেনার সময় নিজের পরিবারের সঠিক স্বাস্হ‍্যের কথা মাথায় রেখে তারপরেই কিনুন। ধনতেরাস পালনের সঠিক মাহাত্ম‍্য এভাবেই পূর্ণ হবে।

 ৬. কুবের পুজো- ধনতেরাস-এর দিন সন্ধ‍্যের সময় লক্ষ্মী পুজোর সাথে ধন-রত্ন বৃদ্ধির জন‍্য কুবের দেবের পুজোর যথেষ্ট মান‍্যতা রয়েছে। তাই ওই দিন কুবের একটি 
ছবি নিয়ে লক্ষ্মী পুজোর স্হানে রেখে কুবের দেবের‌‌‌ও পুজো করা হয়ে থাকে। এতে সারা বছর ঘরে ধন-সম্পদের অভাব ঘটে না।

৭. 'ঝাড়ু'-এই নামটা শুনলেই সবার আগে মনে হবে, পুজোর দিন সব জিনিসপত্র ছেড়ে শেষে কিনবো ঝাড়ু? তবে জানেন কি, ধনতেরাস পালন উপলক্ষে ঝাড়ুর ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ধনতেরাস এর দিন ঝাড়ু কেনা শুভ। কারণ এই দিনটির মূল উদ্দেশ‍্য সারা ঘর-বাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে, বাড়ি চক্‌চকে করে তোলা। এতে পুজোর শুভ মুহুর্তে ঘরের পাশাপাশি মন‌ও সতেজ হয়ে থাকবে। আর একমাত্র স্বচ্ছ পরিষ্কার স্হানেই লক্ষ্মীদেবী বিরাজ করেন।

৮. নুন কিনুন- ধনতেরাস উপলক্ষে বাড়িতে নুন আনা শুভ ধরা হয়। তাই ওই দিন বাড়িতে নের প‍্যাকেট কিনে আনুন। প্রয়োজনে নুন জল দিয়ে বাড়ির মেঝে মুছুন। এতে বাড়ি পোকামাকড় মুক্ত থাকার পাশাপাশি বড়ির জন‍্য শুভ‌ও হবে।

   পুজোর দিনগুলিতে বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখুন। এতে আসনি এবং আপনার পরিবার সুস্হ‍্য থাকবেন, আর আপনার আনন্দে আপনার শরীর কখন‌ই বাধা হয়ে দাড়াবে না। কারণ আমরা সবাই জানি যে Health is Wealth. 💪🎇🎆

★প্রদীপ ও মোমবাতি দিয় বাড়ি সাজান,
তবে বাড়ির বাচ্চাদের আগুনের থেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখুন।

#dhanteras#Diwali#Diya#laxmi#ganesh#happy#health#wealth#safety#celebration#kids#enjoyment#metal#shopping

https://zeenews.india.com/bengali/technology/lander-vikram-found-through-images-sent-by-orbiter_276339.html

অবশেষে পাওয়া গেলো বিক্রম এর খোঁজ। আরো জানতে নিচের লিঙ্ক টি ক্লিক করুন  https://zeenews.india.com/bengali/technology/lander-vikram-fo...